ঢাকা, বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪
হাড়ের সুস্থতার জন্য ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাবার

হাড়ের সুস্থতার জন্য ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাবার

Desk | আপডেট : ৩০ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:১৬
হাড়ের সুস্থতার জন্য ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন ‘কে’-এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সবাই কমবেশি জানেন। রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এই ভিটামিন। এ ছাড়া হাড়ের গঠনে সাহায্য করে। দেহের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন হিসেবে লিভারে জমা রাখে এবং ক্যানসারের কোষ গঠনে বাধা প্রদান করে দরকারি কে ভিটামিন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভিটামিন কে এসেনশিয়াল ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন। এটি হাড় ও হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এ ছাড়া এর আরও অনেক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে আমাদের শরীরে। বর্তমানে বাজারে সহজে পাওয়া যায় এমন কিছু সবজির মধ্যে সহজেই এই ভিটামিন পাবেন।
চলুন আজকের লেখায় আরও কিছু ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের কথা জেনে নেওয়া যাক:

১। ব্রকলি: আধা কাপ ব্রকলিতে ৮৫ মাইক্রোগ্রাম ‘ভিটামিন কে’ থাকে। এটা রান্না করার নানান উপায় আছে। তবে ক্যানোলা বা জলপাইয়ের তেল দিয়ে রান্না করা ভালো। এতে খাবারে ‘ভিটামিন কে’ যোগ হওয়ার পাশাপাশি বাড়তি স্বাদও যোগ হয়।
২। সয়াবিন: দুই ধরনের ‘ভিটামিন কে’ রয়েছে যথা- ‘ভিটামিন কে-১’ ও ‘কে-২’। ‘ভিটামিন কে-১’ উদ্ভিদ থেকে আসে এবং ‘ভিটামিন কে-২’ সামান্য পরিমাণে প্রাণিজ উৎস এবং গাঁজানো খাবার যেমন- পনির থেকে আসে।
তবে সয়াবিন ও সয়াবিন তেল থেকে ‘ভিটামিন কে-২’ পাওয়া যায়।
৩। লেটুস: লেটুসের এক পাতায় ৩.৬২ এমসিজি ‘ভিটামিন কে’ থাকে। এছাড়াও, এতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যা মূলত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই সকল উপাদান শরীরকে রোগমুক্ত ও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
৪। পালংশাক: কাঁচার চাইতে আধা কাপ রান্না করা পালংশাক থেকে তিনগুণ বেশি ‘ভিটামিন কে’ পাওয়া যায়। এছাড়াও পালংশাক নানা রকমের পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন-এ, বি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, ফোলায়েট এবং লৌহ সমৃদ্ধ।
৫। কপি: কপিকে ‘ভিটামিন কে’য়ের রাজা বলা হয়। এটাকে ‘সুপার ফুড’ বলা যায় কারণ এটা ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফোলাট সমৃদ্ধ। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ। ডায়াবেটিস ও স্থূলতার সমস্যা আছে এমন রোগীদের জন্য উপকারী।
৬। গাজরের রসঃ ৬ আউন্স গাজরের রসে ২৮ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে থাকে। গবেষকেরা বলেন, প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস গাজরের রস খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গাজরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে উপকারটি তা হলো দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পাওয়া। এ ছাড়াও আছে আরও অনেক স্বাস্থ্যগত সুবিধা। শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস এবং বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। গাজরের জুসে ভিটামিন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খনিজ, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি থাকে যা হাড় গঠন, নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত করা এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

উপরে