ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪
রোগ প্রতিরোধে মেথি ও কুমড়োর বীজ

রোগ প্রতিরোধে মেথি ও কুমড়োর বীজ

Desk | আপডেট : ২ জুলাই, ২০২০ ১১:০৫
রোগ প্রতিরোধে মেথি ও কুমড়োর বীজ

বর্তমানে সারাবিশ্বে এক আতংকের নাম হলো করোনা ভাইরাস। আর এই ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশোধক বের না হওয়ায়, নিজেদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়ানো সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ এখন। প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে ওষুধ লাগবে না ও যে কোনো ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণ শরীর এমনিতেই রুখতে পারবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি ও কুমড়োর বীজ আমাদের শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে।তাই আজকের লেখায় আমরা আপনাদের জানাবো আমাদের শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে মেথি ও কুমড়োর বীজের উপকারিতা। মেথি ও কুমড়ো বীজ খাওয়াও খুব উপকারী। চিকিৎসকেরা বলেন, এদের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। দু’টিই আমাদের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে ওপ্রদাহ কমায়। প্রদাহ ঠেকানোর জন্য দেহে যে ব্যবস্থা রয়েছে, তাকে সক্রিয় করে তোলে।

আসুন তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক মেথি ও কুমড়োর বীজ এর আরো কিছু উপকারিতাঃ

মেথির উপকারিতাঃ
১। অন্ত্রের নড়াচড়া বৃদ্ধি করে মেথি। যাঁদের পেট জ্বালা বা হজমে সমস্যা আছে, তাঁরা নিয়মিত মেথি খেতে পারেন। এতে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। মেথি ঝরানো পানি খেলেও হজমের সমস্যা দূর হবে। এমনকি পেপটিক আলসার সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে।
২। ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে মেথি, বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর। মেনোপজ হলে নারীর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের এই পরিবর্তনের কালে মেথি ভালো একটি পথ্য।
৩। মেথি আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় রক্তস্বল্পতা, অর্থাৎ অ্যানিমিয়া রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে। নিয়মিত মেথি খেলে পেটে কৃমি হয় না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

কুমড়োর বীজের উপকারিতাঃ

১। কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক (দস্তা), লোহা এবং ভিটামিন-ই। কুমড়োর বীজ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। কুমড়োর বীজ যেমন ভাইরাস বিনাশী, তেমনই তা ছত্রাকজনিত বিভিন্ন রোগও রুখতে পারে।
২। এছাড়া কোষের বৃদ্ধিতেও সহায়কও যারা অনিদ্রাজনিত অসুখে ভোগেন, তাদের জন্য খুব উপকারী কুমড়োর বীজ।
৩। কুমড়ো বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক আর ম্যাগনেসিয়াম যা অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে।
৪। কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে।

উপরে