ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮
অটিজম

অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের খাদ্যাভ্যাস

Borhan Mahmud | আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৮:১৯
অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের খাদ্যাভ্যাস

আপনার অটিস্টিক সন্তান কিছুই খেতে চায় না বা সুনির্দিষ্ট কয়েকটি খাবারই কেবল খায়- এরকম পরিস্থিতিতে আপনাকে সবার আগে যে কথাটি বলা দরকার তা হলো আপনি একা এ অবস্থায় নেই। অধিকাংশ অটিস্টিক সন্তানের বাবা মা এ অবস্থার ভেতর আছেন। সাধারণ শিশুদের তূলনায় অটিস্টিক শিশুদের খাদ্যাভ্যাস গঠন ও খাদ্য গ্রহনে পাচ গুন বেশি সমস্যা দেখা যায় মর্মে একটি গবেষণায়ও দেখা গিয়েছে। এ সমস্যাগুলোর মধ্যে স্বল্প সংখ্যক খাদ্যগ্রহণ প্রবণতা (Narrow food Selections), নিজস্ব খাদ্যগ্রহণ রীতি (যেমন নিজ খাবার কাউকে স্পর্শ করতে না দেয়া) বা Ritualistic Eating Behaviors, খাবার নিয়ে বদমেজাজ বা দুর্বার ক্রোধ দেখানো (meal-related tantrums) ইত্যাদি। এর পাশাপাশি খুব অল্পসংখ্যক অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ বা ওভারইটিং এর প্রবনতাও দেখা যায়। আজ আমরা এগুলোর ব্যাপারে কিছু আলোচনা করব।

প্রথমে খাদ্য গ্রহনে অনীহা সংক্রান্ত কিছু ব্যাপার নিয়ে সাধারণ আলোচনা করব।

১। মেডিক্যাল সমস্যা: খাবার সাধলেই শিশুটি দুঠোট শক্ত করে চেপে রাখে বা মুখ বন্ধ করে রাখে, এরকম হলে শিশুটি খাবার গ্রহনে সরাসরি অনীহা প্রকাশ করছে। এর মানে এমনও হতে পারে যে সে জানে খাবারটি খেলেই সে পেটে ব্যাথা অনুভব করবে। অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে Gastrointestinal distress একটি কমন সমস্যা। তারা তাদের সীমাবদ্ধ কমিউনিকেশন ক্ষমতার জন্যে হয়ত বুঝাতেও পারছেনা, এদিকে আমরা বাবামায়েরা তাকে খাবার খাওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ দিয়েই যাচ্ছি। শিশুর খাদ্যগ্রহনে অনীহার প্রবনতা দেখলেই তাকে একবার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান এবং তার শারীরিক অবস্থা নীরিক্ষা করে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেয়া ভাল।

২। ধৈর্য ধরুন:  অনেক শিশু কোন খাবার দেখলে খাবারের আগে সেটা চেক করে দেখে। চেক করা বলতে তারা তার চেহারা দেখে, গন্ধ শুঁকে, আবার অল্প পরিমাণে নিয়ে চেখেও দেখে। এরপর তার মর্জি হলে বা ইচ্ছে হলে সে খাবে। অটিস্টিক শিশুদের খাবার সংক্রান্ত সংবেদনশীল আচরণ ক্ষেত্রবিশেষে বিচিত্র। তারা নতুন কোন খাবার গ্রহন করতে সময় নেয়। এজন্যেই অটিস্টিক শিশুদের খাদ্যাভ্যাস তৈরির ইস্যুতে বাবা মাদের ধৈর্য ধারণের জন্য অনুরোধ করা হয়। শিশুটি যদি কোন খাবার অনেকবার চেস্টা করার পরেও খেতে অনীহা দেখায়, তাহলে বিকল্প অন্য খাবার দিয়ে চেস্টা করুন। নির্দিষ্ট সময় ধরে খাবার খেতেই হবে, এরকম যুদ্ধে নামার প্রয়োজন নেই। প্রথমে তার খাদ্যাভ্যাস তৈরির দিকে প্রাধান্য দিন, পরে সময়ানুযায়ী খাবারের চর্চা করুন।

৩। নিজে ক্রিয়েটিভ হউন:  অনেক অটিস্টিক শিশু নতুন খাবার পছন্দ করে না। নতুন খাবার তাকে দিলে সে সময় আপনি তার সামনে সে খাবার খেয়ে খুব মজা হয়েছে এরকম ভাব করুন, তাকেও বলুন মজার খাবারটা সেও যেন খেয়ে নেয়। এছাড়াও তার প্রীয় খাবারের সাথে নতুন খাবার দিতে পারেন।

৪। খাবারের টেক্সচারের দিকটি দেখুন:  অটিস্টিক শিশুরা টেক্সচারের প্রতি সংবেদনশীল হয়। খাবারের মান বা ধরণ বা গন্ধ যাই হোক, তারা অনেক সময় এসব দিক দেখেনা। বরং খাবারটা মুখে দিলে কেমন লাগে, সেদিক নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকে। এ ব্যাপারে টমেটোর উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। আস্ত টমেটো বা টুকরো করে কাটা টমেটো খেতে একরকম লাগে, কারো কারো কাছে বিস্বাদ লাগে। আবার টমেটোকে ব্লেন্ড করে সালসা বানিয়ে দিলে বা নুডলসে দিলে দেখা যায় তা খাচ্ছে। অর্থাৎ একই খাবারকে এক ফর্মেটে দিলে মুখে বিস্বাদ লাগলেও অন্য ফর্মেটে কনভার্ট করে দিলে তা খাদ্যাভ্যাসে যুক্ত করা সহজতর হয়।

৫। নতুন নতুন খাবার দিন:  হ্যা, তাকে মাঝে মাঝে নতুন কোন মেন্যু দিন। খাবারে নতুন আইটেম তাকে উৎসাহিত করতে পারে। অথবা নতুনভাবে খাবারকে উপস্থাপন করুন। যেমন তাকে সস দেয়ার সময় সস দিয়ে প্লেটে একটা ফুল একে দিন। বা পিজ্জাতে সবজি দেয়ার সময় সেগুলো দিয়ে একটি শেপ বানিয়ে দিন। বা ভেজিটেবল কাটার দিয়ে সব্জিকে নতুন শেপে কাটুন। আর এ কাজগুলো এমনভাবে করুন যাতে সে এগুলো দেখে। এতে খাবারের উপস্থাপন তার কাছে নতুন এবং ভিন্নতর দেখাবে। প্রকারান্তরে সে খাবারে উৎসাহ নিতে পারে।

৬। তাকে পছন্দ করতে দিন:  আপনার শিশুটি হয়ত চাইতে পারে যে সে যা খাবে তা তার নিজ পছন্দ অনুযায়ী হবে। আর কোন খাবারের প্রতি অনীহা একটি সাধারণ ব্যাপার, এটি আমরা বড়রাও করি। তাই তার খাবার চয়েস করার অপশন বিস্তৃত করা যায় কিনা, তা ভেবে দেখুন। সেই সাথে তার এ পছন্দের ব্যাপ্তির মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরি সেট করা যায় কিনা তাও ভেবে বের করুন। উদাহরণ স্বরূপ আপনি ঠিক করলেন যে সে যেন একটি সবজি আইটেম খায় এবং সাথে যেন একটি প্রোটিন আইটেম থাকে।
তখন তার সামনে সবজি এবং প্রোটিন এর একাধিক আইটেম রাখুন, যাতে সে নিজ পছন্দ অনুযায়ী খাবারটি খেতে পারে। একইভাবে আপনি যখন নুডলস রান্না করছেন তখন তাকে বলুন সে যেন তাতে একটা অতিরিক্ত উপাদান মেশায়। এসময় তার সামনে চিকেন বা সবজি রাখুন। সে যেটি মেশাতে চেয়েছে তা দিয়েই নুডলস রান্না করুন। তার এ কাজটির প্রশংসা করুন। এ খাবারটি সে তেমন কোন বিপত্তি ছাড়াই খেয়ে নেবে।

৭। বিশেষ সতর্কতা:  শিশুটিকে খেতে উৎসাহ দেয়ার জন্যে যদি রিওয়ার্ড দেয়া প্রচলন করেন, তবে তা সাময়িক ভাবে কাজে দেবে। দীর্ঘমেয়াদী রিওয়ার্ড এর অভ্যাস করলে তা তার জন্য মংগলকর হবে না। এতে সে খাবারে আনন্দ হারিয়ে ফেলবে এবং পুরস্কারের লোভে খাবে। আবার কিছুদিন পর এই পুরস্কারের প্রতিও তার আকর্ষণ থাকবে না। তখন তা আপনার জন্যে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।

আপনি আপনার শিশুর ব্যাপারে পর্যবেক্ষণশীল হলে তার সুষম খাদ্যাভাস তৈরি আপনার জন্য সহজতর হবে।

অটিস্টিক শিশুদের অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাসের প্রবনতা এবং তা রোধে করণীয়

অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহন প্রবণতা বা Over Eating Habit তূলনামুলকভাবে কম দেখা যায়। তবে কিছু কিছু অটিস্টিক শিশুর মধ্যে সারাদিনই কিছু না কিছু খাবার প্রবণতা দেখা যায় বা খাবারের সময় অতিরিক্ত খাবারের গ্রহনের বাতিক দেখা যায়।

শিশুর অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের ইস্যুটি বোঝার জন্যে তার খাদ্যাভ্যাসের প্রতি মনযোগী হলেই বাবা মা হিসেবে আপনি বুঝতে পারবেন, কেন সে বেশি খেতে চাচ্ছে। তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, সে কি সুনির্দিষ্ট কোন ফুড আইটেম দেখলেই বেশি খাচ্ছে নাকি সে সহজাত অভ্যাসের বশে বেশি খাচ্ছে।

পাশাপাশি আপনি একজন পেডিয়াট্রিশিয়ানের সাথেও এ ব্যাপারে আলোচনা করে দেখুন যে এর পেছনে কোন মেডিক্যাল কারণ আছে কিনা। পেডিয়াট্রিশিয়ান এর নিরীক্ষার পর যদি কোন Medical Reason না পাওয়া যায় তবে আপনার শিশুটি হয়তো নিম্নের যে কোন কারণে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহন করছে।
Habit বা অভ্যাস- আপনার সন্তানের খাবার গ্রহনের প্যাটার্ন কয়েকদিন ধরে নোট করুন। এতে আপনি তার খাদ্যাভ্যাসের ধরণটা বুঝতে পারবেন; সে কি কোন সুনির্দিষ্ট সময়েই খাচ্ছে নাকি যখন টিভি দেখতে থাকে নাকি কম্পিউটার এ কিছু দেখার সময় নাকি যখন সে কোন কিছু করার মতো কাজ পায়না নাকি নির্দিষ্ট কোন খাবার পেলে অমন করে ইত্যাদি।

Obsessive Compulsive Behaviour- এটি একটি মানসিক ডিজঅর্ডার। এ সময়ে ব্যাক্তিটি একই ধরণের আচরণ ক্রমাগত বারবার করতে থাকে। এটি তার আচরণ কেন্দ্রিকও হতে পারে আবার চিন্তা বা ভাবনা কেন্দ্রিকও হতে পারে। আপনার শিশু Overeating করলে বুঝার চেস্টা করুন, সে কি কোন অভ্যাসের কারণে অমন করছে নাকি কোন সুনির্দিষ্ট খাবার পেলে নিজের উপরকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খেতেই থাকে। যদি সে খাবারের সময় অতিরিক্ত খাবার খায় এবং ক্রমাগত খাবার খেতেই থাকে তবে তা কমপালসিভ বিহেভিয়ার এর আওতায় পড়ে।

Medication side effects বা ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়া- আচরণ নিয়ন্ত্রণকারী কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবেও অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে অতিরিক্ত খাবার গ্রহনের প্রবনতা দেখা যায়। এ ধরণের কিছু ঔষধ রুচি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে শরীরের খাদ্যগ্রহণ এর পদ্ধতিতে পরিবর্তনও নিয়ে আসে।

Unpredictable mealtimes বা সময়বহির্ভূত খাদ্যাভ্যাস- যদি আপনার শিশুর খাবার গ্রহনের সময় রুটিন ভিত্তিক না হয়, তবে সে সারাদিনই এটা ওটা খেতে থাকবে এবং তার ওভারইটিং এর অভ্যাস তৈরি হবে।

Sensory sensitivities বা স্নায়বিক অনুভূতি সংক্রান্ত- এ ব্যাপারটি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞগন ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। আপনার শিশুটি যদি Soft Texture পছন্দ করে, তবে সে soft foods পছন্দ করবে বা সেগুলোর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হবে। আবার নির্দিষ্ট কোন রঙ এর খাবার পছন্দ করলে তার নিয়মিত খাবারের মধ্যে সে বর্ণের খাবার রান্না করে দিন।

সার্বিক বিবেচনায় যদি আপনার মনে হয় যে আপনার শিশুটি Obsessions এর জন্যে ওভার ইটিং করছে, তাহলে খাবারের সময়গুলোতে শিশুটির প্লেটে বা টেবিলে বা তার চোখের সামনে খাবারের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিন।

যদি নিশ্চিত হন যে, মেডিকেশন এর জন্যে আপনার শিশু এমন করছে, তাহলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন এবং সম্ভব হলে ঔষধ পরিবর্তন করিয়ে নিন। এসময় Trial and Error পদ্ধতিতে আপনার শিশুর জন্যে সবচেয়ে উপযোগী ঔষধটি নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।

অটিস্টিক শিশুরা সময় ভিত্তিক রুটিন খুব পছন্দ করে। তাই নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত পরিমানে খাবার গ্রহনের অভ্যাস করানোর জন্যে সময় ধরে অর্থাৎ রুটিন সময়ের চর্চা করাতে পারলে সবচেয়ে ভাল এবং তারা রুটিনের মধ্যে থাকতেই পছন্দ করে। যখন শিশুটি খাবারের রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে যাবে, তখন তার জন্যে লো ফ্যাট এবং লো এনার্জি মেন্যু প্ল্যান করুন।

আপনার শিশুকে ক্ষুধা লাগা এবং ভরা পেট - এ দুটো বিষয় বোঝানোর চেস্টা করুন। আপনি তাকে খাওয়ানোর সময় সে যদি খেতে না চায়, তখন তাকে জোর করবেন না বরং অপেক্ষা করুন যাতে সে ক্ষুধা বোধ করে নিজে খেতে চায়। আবার তাকে খাবার খাওয়ানো শেষ করার পর যদি সে আরো খেতে চায়, তখন একটু অপেক্ষা করে দেখতে পারেন এবং বোঝার চেস্টা করুন সে কি সত্যিই খেতে চাচ্ছে নাকি চোখের ক্ষুধা।

কিছু শিশু মনে করে তারা ক্ষুধার্ত, কিন্তু আসলে তারা তৃষ্ণার্ত। সে তৃষ্ণা বা ক্ষুধার পার্থক্য বুঝতে পারছেনা বলে তখন পানি না খেয়ে অন্য খাবার খেতে চাচ্ছে। এজন্যে আপনার শিশুটি যেন সারাদিনে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করে, বিশেষ করে Meal টাইমসমুহের মধ্যবর্তী সময়গুলোতে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

যদি এমন হয় যে আপনার শিশুটি বোরিং ফীল করলে এটা ওটা খাচ্ছে, তাহলে শিশুটিকে ব্যাস্ত রাখার জন্যে একটিভিটি প্ল্যান করে রাখুন এবং পরবর্তী Meal Time পর্যন্ত তাকে ব্যাস্ত রাখুন। মাঝের সময়টায় সে যে সকল একটিভিটি পছন্দ করে সেগুলো দিয়ে তাকে ব্যাস্ত রাখুন।

হালকা খাবার বা স্ন্যাক্স জাতীয় খাবারগুলো আপনার শিশুর হাতের নাগালের বাহিরে রাখুন এবং প্রয়োজনে চোখের আড়ালে রাখুন। অনেকসময় হাতে কোন কাজ না থাকায় বা কি করা যায় বা একটা কিছু করি- ধরণের ভাবনা থেকেও শিশুটি লাগাতার এটা ওটা খেতে থাকে।

আপনার শিশুটিকে প্রতিদিন কিছু ফিজিক্যাল একটিভিটি করান। তাকে কিছু দৌড়াদৌড়ি বা ছুটাছুটি করার সুযোগ দিন। এতে তার ব্যাস্ততা বাড়বে, গৃহীত খাবার হজম হবে, একঘেয়েমিও কাটবে। শুরুতেই বলেছি যে, অটিস্টিক শিশুদের মধ্যে Overeating প্রবনতা কম দেখা যায়। সকল অটিস্টিক শিশু স্বীয় ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় আলাদা। তাই একই পদ্ধতি অবলম্বন করে একাধিক শিশুর ক্ষেত্রে ফলাফল আশা করা উচিত নয়। আপনার শিশুর পছন্দ অপছন্দ বিবেচনায় তার ব্যাবস্থাপনা পরিকল্পনা করাই বাঞ্ছনীয়। আমি আবারো বলছি, আপনি আপনার শিশুর ব্যাপারে যতো পর্যবেক্ষণশীল হবেন, ততোই তার ব্যাবস্থাপনা আপনার জন্যে সহজতর হবে।

উপরে