ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮
অটিজম

অটিজম ব্যাবস্থাপনা

অটিজম ব্যাবস্থাপনা

অটিজমের একক কোনো বিশেষ কারণ নেই বিধায় এর ব্যাবস্থাপনায় একটি সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি দরকার। বিভিন্ন ধরণের থেরাপি এবং ডায়েটিং এর পাশাপাশি নিবিড় ভালবাসা ও স্নেহের মধ্য দিয়ে অটিজম আক্রান্ত শিশুদের ব্যাবস্থাপনা করতে হয়।

অকুপেশনাল থেরাপি: অকুপেশনাল থেরাপিস্ট অটিস্টিক বাচ্চার সমস্যাগুলো বের করে একটি চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি করেন এবং শিশুর শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিকভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করেন। অকুপেশনাল থেরাপিস্ট লজিক্যাল অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে কাজ করে থাকেন, যা অটিজম শিশুর জন্য খুবই জরুরি।

সাইকোলজিক্যাল থেরাপি: অনেক অটিস্টিক বাচ্চার কিছু মানসিক সমস্যা যেমন অতি চঞ্চলতা, অতিরিক্ত ভীতি, মনোযোগের সমস্যা, ঘন ঘন মনের অবস্থা পরিবর্তন হওয়া, বিষণ্নতা, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি থাকে। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় সাইকিয়াট্রিস্টরা বিভিন্ন থেরাপির (যেমন- বিহেভিওরাল থেরাপি, সোশালাইজেশন স্কিল তৈরি, ব্রেইন এক্সারসাইজ ইত্যাদি ) সাথে ওষুধের ব্যবহারও করে থাকেন।

স্পীচ থেরাপি: অটিস্টিক শিশুদের স্পিচ বা কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করার জন্যে স্পিচ থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। বিভিন্ন পরিস্থিতি বা পরিবেশ সৃস্টির মাধ্যমে অটিজম আক্রান্তদের কথা বলা শেখানো হয়। ফিজিওথেরাপি: অটিজম আক্রান্তদের অংগ প্রত্যংগ নাড়াচাড়া তথা চলাফেরায় সমস্যার জন্য ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করা হয়। সেনসরি ইন্টিগ্রেশন থেরাপি, বিভিন্ন ধরণের খেলনা বা দ্রব্যের বা কার্যকরী যন্ত্রপাতির ব্যাবহারের শিক্ষার মাধ্যমে তাদের শারীরিক বিভিন্ন মুভমেন্ট এ স্বাভাবিকতা আনার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি খুব উপকারী একটি মাধ্যম।

ডায়েট: অনেকের মতে গ্লুটিন ও ক্যাফেইন ফ্রি খাবার খেলে অটিস্টিক বাচ্চাদের অতি চঞ্চলতা কম থাকে। তবে এর স্বপক্ষে জোরালো কোনো গবেষণা নেই। তবে অটিস্টিক শিশুরা সুনির্দিষ্ট কিছু খাবারই পছন্দ করে। কাজেই তাদের স্বাস্থের সার্বিক পুস্টি নিশ্চিত করার জন্যে তাদের পছন্দনীয় খাবারের মধ্যেই তাদের ডায়েট প্ল্যান করা জরুরী।

উপরে