ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯
আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভাল না খারাপ?

আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভাল না খারাপ? জেনে নিন ৫টি উপায়ে।

20fours Desk | আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৮:৩৮
আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভাল না খারাপ? জেনে নিন ৫টি উপায়ে।

প্রত্যেক বাবা মা চান তার সন্তান যেন মানুষের মত মানুষ হয়। আর এই কথা ভেবে ভেবে যেন বাবা মায়ের চিন্তার শেষ থাকে না। আর তারা যদি হয় টিনএজার তবে তো কোন কথায় নেই। সাধারণত বয়ঃসন্ধির এই সময়টাতে বড় ধরণের ভুলগুলো করে থাকে ছেলেমেয়েরা। আর এই সময়টা তারা আপনাদের থেকে বন্ধুদের সাথে বেশি সময় ধরে থাকে কারণ দিনের বেশিরভাগ সময়টা স্কুলে কাটাতে হয়। তাই আপনাদের যেন চিন্তার শেষ থাকে না যে আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভালো না খারাপ। কারন বয়ঃসন্ধির বয়সটা এমন একটা সময় যে, তারা ভালো খারাপ বুঝার মাঝে থাকে না। তাই আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভালো না খারাপ আপনাদের জানা খুবই প্রয়োজন।  কিভাবে জানবেন আপনার সন্তানের বন্ধুটি আপনার সন্তানের যোগ্য কিনা?
আসুন জেনে নিই কীভাবে জানবেন আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভাল না খারাপঃ

১।  ভালো বন্ধু কখনই অপর বন্ধুর পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে কথা বলবে নাঃ

আপনার সন্তানের একজন ভালো বন্ধু আপনার পরিবারের ঐতিহ্য নিয়ে কথা বলবে না। কারন একজন ভালো বন্ধু এমন কোন কাজ করবে না যা আপনার পরিবারের ঐতিহ্যকে কটাক্ষ করে। পরিবারের বিপদ আপদে যেকোন সম্যসায় বন্ধুটিকে যদি আপনার সন্তানের পাশে পান, তাহলে বুঝবেন আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভালো।

২। একটি ভাল বন্ধু কখনোই আপনার সন্তানের সাফল্যে নিয়ে হিংসা করবে নাঃ

আপনার সন্তানের বন্ধু থাকতেই পারে। আর সেই বন্ধুটি যদি আপনার সন্তানের সাফল্য নিয়ে হিংসে করে তাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়, তাহলে বুঝবেন আপনার সন্তানের বন্ধুটি ভালো।

৩। মিথ্যা বলাঃ

পড়ালেখার প্রয়োজনে আপনার সন্তানকে দিনের বেশিরভাগ সময় ধরে স্কুলে কাটাতে হয়, আর এই সময়টা তার পাশে থাকে তার বন্ধু। আর আপনার সন্তান বন্ধুর ভালো খারাপ অনুসরণ করে থাকে। তাই হঠাৎ করে যদি আপনার সন্তান মিথ্যা বলা শুরু করে তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার সন্তানটি ঠিক বন্ধুর মিশছে না

৪। একটি ভাল বন্ধু আপনার সন্তানের সেরা দিকটা খুঁজে বের করেঃ

আপনার সন্তান কি ছোট ভাইবোনের সাথে খেলা করছে? তাদের সাথে শেয়ার করছে তার প্রিয় জিনিস? তবে হ্যাঁ আপনার সন্তান ভাল বন্ধুদের সংস্পশেই আছে। যারা আপনার সন্তানকে পরিবারের সাথে বিশেষত ছোট ভাইবোনদের সাথে সময় কাটানো শেখায়। ছোট ভাইবোনকে ভালবাসতে শেখায়।

৫। প্রতিশোধ পরায়নতাঃ

আপনার সন্তান কি হঠাৎ করে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠেছে? তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ না করলে জেদ করছে? আপনি না বলার পরও একই কাজ বার বার করছে? তবে বুঝতে হবে সে এই কাজগুলো অন্য কারোর কাছ থেকে শুনে বা দেখে করছে। অন্য দিকে প্রভাবিত হচ্ছে আপনার সন্তান।

উপরে