ঢাকা, রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯
বাসমতি চালের ভাত

বাসমতি চালের ভাতের পুস্টিগুণ

20Fours Desk | আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০১৯ ০৮:০০
বাসমতি চালের ভাতের পুস্টিগুণ

বাসমতি চালের একটি বিশেষ প্রকরন। লম্বা দানাদার এ চাল ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে উৎপন্ন হয়। সুগন্ধ ও সুস্বাদের জন্য এ চাল বিখ্যাত। সাদা বাসমতী চাল ছাড়াও বাদামী ধরনের বিশেষ বাসমতী চাল পাওয়া যায়। আসলে বাসমতি চালের অন্দরে উপস্থিত ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, মিনারেল এবং নানাবিধ ভিটামিন শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে একাধিক শারীরিক সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। আর তাইতো আজকের লেখাতে থাকছে আপনাদের জন্য বাসমিত চালের ভাতের উপকারীতা গুলো।


চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক বাসমিত চালের ভাতের উপকারীতা গুলোঃ

(১) বাসমতি চালে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম থাকে যার ফলে এই ভাত খাওয়ার পর  ব্লাড ভেসেলের দেওয়ালের উপর চাপ কমতে শুরু করে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

(২) বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে বাসমতি চালে "থিয়ামিন" নামক একটি ভিটামিন থাকে, যাকে চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্রেন ভিটামিন নামেও ডাকা হয়ে থাকে। কারণ এই বিশেষ ভিটামিনটি শরীরে প্রবেশ করার পর নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। ফলে মনোযোগ ক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে।


(৩) ব্রাউন বাসমতি চালের গ্লাইকেমিক ইনডেক্স সাধারণ চালের থেকে অনেক কম। তাই তো যারা ডায়াবেটিক তারাও ইচ্ছা হলে বাসমতি চাল খেতে পারেন। তাতে তাদের কোনও ধরনের শারীরিক ক্ষতি হবে না। তবে প্রয়াজনে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না।


(৪)  এতে রয়েছে থিয়ামাইন এবং নায়াসিনের মতো ভিটামিন, যা হজম শক্তির উন্নতি ঘটায়, সেই সঙ্গে নার্ভাস সিস্টেম এবং হার্টকেও ভালো রাখে। শুদু তাই নয়, নিয়মিত এই চালটি দিয়ে বানানো ভাত খাওয়া শুরু করলে সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে উটতেও সময় লাগে না।

(৫) একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বাসমতি চালে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর হরমোনের ক্ষরণ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে মন-মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে নানাবিধ রোগভোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।


এছাড়াও  বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাসমতি চাল দিয়ে তৈরি ভাত খাওয়া শুরু করলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশের মাত্রা কমতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এমন অনেক উপকারি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ফলে অল্প সময়ই ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

উপরে