নিরামিষ ডায়েটের উপকারীতা | 20fours
logo
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০১৯ ১১:১৬
নিরামিষ ডায়েট
নিরামিষ ডায়েটের উপকারীতা
20Fours Desk

নিরামিষ ডায়েটের উপকারীতা

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ-মহিলার দৈনিক অন্তত: ২৫০০ থেকে ৩ হাজার কিলো ক্যালরি খাদ্য শক্তির প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে পুষ্টিবিদ ও ডায়েটেশিয়ানগণ শরীর অনুপাতে ২০০০ থেকে ২৫০০ কিলো ক্যালরি খাদ্য শক্তির কথা বলেন। এসব খাদ্য শক্তির প্রধান উত্স মাছ, মাংস ও ডিম।দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে মানুষের খাদ্যাভাস। এখন অনেকেই মনে করছেন, নিরামিষ খাওয়ার চাইতে আমিষ খাওয়া ভালো।বাঙালি খেতে ভালোবাসে। তারপরও আজকাল স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেকেই বেছে নিচ্ছেন নিরামিষ খাবার। সেটা যে শুধু শরীরের কারণে, তাই নয়, 'অ্যানিমাল ক্রুয়েলটি'র বিরুদ্ধে অনেকেই এখন সচেতন, সেই কারণেই নিরামিষ খাওয়ার ঝোঁক বাড়ছে। এছাড়াও নিরামিষ ডায়েটের রয়েছে আরোও অনেক উপকারীতা।আর আজকের লেখাতে থাকছে আপনাদের জন্য সে ব্যাপারেই কিছু তথ্য।


চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক নিরামিষ ডায়েটের উপকারীতা গুলোঃ

(১) প্রাণিজ প্রোটিন এবং চর্বির পরিমাণ শরীরে আসার পথ বন্ধ হয়ে যাবে নিরামিষ খাবার খেতে শুরু করার পর থেকেই। তাই এই ডায়েটে ঢুকে পড়লেই ওজন কমবে। এবং হজম ক্ষমতাও বাড়বে। সেই কারণে চর্বি জমবে কম।

(২) নিরামিষ খাবারে ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরের শক্তির পরিমাণ বাড়বে। ক্লান্তিকে দূরে রাখা যাবে অনেক ক্ষণ। সারা দিন চনমনে থাকার প্রবণতা দেখা যাবে নিরামিষ ডায়েটে যাওয়ার পর থেকেই।

(৩) মাছ আর রেড মিটে জিংক থাকে বেশি পরিমাণে। এই জিংক টেস্টবাড বা স্বাদকোরক এবং শ্রবন ইন্দ্রিয়ের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিরামিষ খাবারে জিংক সেই পরিমাণে থাকে না। তাই এই দুটো ইন্দ্রিয়ের শক্তি একটু হলেও কমে। কিন্তু জিংক সাপ্লিমেন্ট নিয়ে তার মোকাবিলা করা যায়।

(৪)যাঁরা নিরামিষ খান, তাঁদের কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা অনেক কম হয়- এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, শরীরে উদ্ভিজ্জ পুষ্টিগুণের কারণে কমে যায় হৃদযন্ত্রের আশঙ্কা।

(৫) অনেক বিশেষজ্ঞের মতেই মিশ্র ডায়েট থেকে নিরামিষ ডায়েটে পরিবর্তন হলেই শরীরের খাদ্যতন্ত্রে বদল আসে। প্রথম প্রথম মলত্যাগের মধ্যে কোনও নিয়ম থাকে না। কোনও দিন কোষ্ঠে ভুগছেন, তো কোনও দিন পেটের গণ্ডগোল বেঁধে গেল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীর এই খাবারে মানিয়ে নেবে। তখন আগের থেকে পেট আরও ভালো পরিষ্কার হবে। কারণ এই খাবারে ফাইব্রয়েডের পরিমাণ অনেক বেশি।

এছাড়াও শেষজ্ঞদের মতে, নিরামিষ খাবারে যেহেতু শরীরে ভিটামিনের পরিমাণ বাড়বে, তাই ত্বকের ঔজ্জ্বল্য স্বাভাবিক ভাবেই বাড়বে। সমস্ত নিরামিষাসিদেরই ত্বক উজ্জ্বল- এমনটা নয়। কিন্তু মিশ্র ডায়েটে থাকা অবস্থার চেয়ে নিরামিষ ডায়েটে পৌঁছলেই ত্বকের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে।