ঢাকা, শনিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯
দুধের বিকল্প ওট মিল্ক

দুধের বিকল্প ‘ওট মিল্ক’

20fours Desk | আপডেট : ৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৫:১৬
দুধের বিকল্প ‘ওট মিল্ক’
দুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। কিন্তু অনেকেই আছেন দুধ খেতে পারেন না বা খেতে চান না। তাই দুধের বিকল্প হিসেবে দুধ বেঁচে নিতে পারেন। তবে সম্প্রতি এগুলোর পাশাপাশি আরও একটি বিকল্প দুধ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে- তা হলো ওট মিল্ক।ওট মিল্ক আসলে ওটসেরই তরল রূপ। ওটস স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট হিসেবে পরিচিত। যারা ল্যাকটোজ সহ্য করতে পারেন না, তারাও ওট মিল্ক খেতে পারেন। এমনকি ওজন কমাতেও ওট মিল্ক খুবই উপকারী। 
 
পুষ্টিগুণঃ
 
ওটস পুষ্টিগুণে ভরা। এটি প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার। এক বাটি ওটস পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ। ওট মিল্ক সাধারণত হোল গ্রেইন ওটস বা স্টিল কাট ওটস দিয়ে তৈরি করা হয়। এক কাপ ওট মিল্কে থাকে ১৩০ ক্যালোরি, ২.৫ গ্রাম ফ্যাট, ২ গ্রাম ফাইবার, ৪ গ্রাম প্রোটিন, দৈনিক প্রয়োজনের ৩৫ শতাংশ ক্যালসিয়াম ও ২৫ শতাংশ ভিটামিন ডি।
 
উপকারিতাঃ
 
১। প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস: ভিটামিন এ, আয়রন, ক্যালসিয়ামের মতো উপকারী সব ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে। গরুর দুধের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ভিটামিন এ রয়েছে এতে।
 
২। কোলেস্টরল মুক্ত: যাদের রক্তে কোলেস্টরল বেশি তারা নিশ্চিন্তে এই দুধ পান করতে পারেন। গরুর দুধের তুলনায় এতে কোলেস্টরল নেই বললেই চলে।
 
৩। লো ফ্যাট দুধ: যারা ওজন কমাতে চান তারা সাধারণ গরুর দুধের বদলে ওট মিল্ক পান করতে পারেন। কারণ এতে ফ্যাট খুব কম থাকে।
 
৪। ক্যালসিয়ামের উৎস: গরুর দুধের তুলনায় বেশি ক্যালসিয়াম থাকে ওট মিল্কে। আপনি ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট হলেও ওট মিল্ক পান করার মাধ্যমে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করতে পারেন।
 
৫। ফাইবার থাকে বেশি: সাধারণ গরুর দুধ, সয়া মিল্ক এমনকি আমন্ড মিল্কের তুলনায় বেশি ফাইবার থাকে ওট মিল্কে। তাই এটা লম্বা সময় আপনার পেট ভরা রাখে, ডায়েটে সাহায্য করে।
 
ওট মিল্ক তৈরির নিয়মঃ
 
এক কাপ অর্গানিক ওটস, বিশুদ্ধ পানি ও অল্প লবণ।
প্রথমে পানিতে ওটস ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ৩০ মিনিট। এতে ওটস নরম হয়ে আসবে এবং এ থেকে হজমে বাধাদানকারি ফাইটিক এসিড দূর হবে।
ভিজিয়ে রাখার পর ওটস ভালো করে ধুয়ে নিন। একটি ব্লেন্ডারে ওটস, তিন কাপ পানি ও অল্প লবণ দিয়ে ব্লেন্ড করুন ২-৩ মিনিট। পাতলা দুধ তৈরির জন্য আরও পানি দিতে পারেন। এরপর পাতলা কাপড়ে ছেঁকে নিন। ছেঁকে নেওয়ার পর অবশিষ্ট ওটস রেখে দিন, তা পরে স্মুদি তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন। ছেঁকে নেওয়া ওট মিল্ক ফ্রিজে রেখে পান করতে পারেন ৩-৫ দিন পর্যন্ত। পান করার আগে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। যারা মিষ্টি পছন্দ করেন, তারা ব্লেন্ড করার সময়ে মধু দিতে পারেন।

উপরে