ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০১৯
দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ দূরকারী কিছু খাবার

দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ দূরকারী কিছু খাবার

Desk | আপডেট : ৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৫:০০
দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ দূরকারী কিছু খাবার

দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ কথাটি শুনলেই সবার আগে আমাদের মনে কলকারখানা থেকে নির্গত ক্ষতিকারক পদার্থের কথাই মনে হয়। যাঁরা একটু খোঁজ-খবর রাখেন তাঁরা বলবেন, অনেক কারণেই দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ  প্রবেশ করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের শরীরে রোজ ক্ষতিকারক পদার্থ  প্রবেশ করছে, অবাধে। কখনও আমরা অজান্তেই তা শরীরে প্রবেশ করাচ্ছি। আবার কখনও জেনেশুনে বিপদ ডেকে আনছি। কিন্তু আপনি  কি জানেন খাবার খেয়েও আপনি দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ দূর করতে পারেন??  আজকের লেখাতে তাই আপনাদের জন্য থাকছে দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ দূরকারী কিছু খাবার  এর কথা।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক দেহের ক্ষতিকারক পদার্থ দূরকারী কিছু খাবার এর কথাঃ

(১) লেবুঃ
লেবু ও লেবুর রস আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। সকালে মাত্র ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে আমাদের লিভারের কর্মক্ষমতা দ্বিগুণ  বেড়ে যায়। আমাদের লিভার ও কিডনি পরিষ্কার করে হজম ক্রিয়া উন্নত করে।

(২) কাঁচা রসুন এবং আদাঃ
খাবারের সঙ্গে অনেকে কাঁচা রসুন খেতে অভ্যস্ত, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর গন্ধের জন্য কাঁচা কেউ খেতে চান না। তবে প্রতিদিন অন্তত দুই কোয়া করে কাঁচা রসুন খেলে দেহের নানা রকম ব্যথাসহ ক্ষতিকারক উপাদান বের করে দিতে সহায়তা করে থাকে।আদাকে ঔষধ হিসেবে অনেক প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার করে আসছেন চীনের মানুষজন। এখনো তারা সুস্বাস্থ্যের কামনায় নিয়মিত আদা চা পান করে থাকেন। আদা চায়ের পাশাপাশি কাঁচা আদা খেলে আমাদের লিভার থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর হয় এবং লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে।

(৩) গ্রিন টীঃ
চা কফির মধ্যে গ্রিন টী সবচেয়ে কার্যকরী পানীয়। গ্রিন টীর উচ্চতর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আমাদের লিভার ও কিডনিকে পরিষ্কার রাখে। তাই চা বা কফি পানের অভ্যাসটাকে বদলে গ্রিন টী পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিৎ।

(৪) বাঁধাকপিঃ
নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে লিভারের ক্ষতিকারক পদার্থ দূর হয়। বাঁধাকপির গুণ লিভারকে সুস্থ-স্বাভাবিক ও কলেস্টোরলমুক্ত রেখে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। এছাড়াও বাঁধাকপি আমাদের হজমের ক্রিয়া উন্নত করে। ফলে আমাদের দেহের বর্জ্য পদার্থের সঙ্গে দেহ থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ বের হয়ে যায়।

(৫) কাঁচা হলুদঃ
কাঁচা হলুদের রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। কাঁচা হলুদে থাকা উপাদান আমাদের দেহের নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে। কাঁচা হলুদ ভালো করে ব্লেন্ড করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে আমাদের লিভারের টক্সিন দূর করা সম্ভব। তাই হলুদকে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

এছাড়াও আমাদের লিভার ও কিডনির সুরক্ষায় সবচেয়ে কার্যকরী উপাদান হচ্ছে পানি। একমাত্র পানিই আমাদের দেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পৌঁছে দেহের ক্ষতিকারক উপাদান বয়ে এনে মূত্র থলিতে জমা করে। তাই প্রতিদিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে অন্তত ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করে উচিৎ।

উপরে