ঢাকা, রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯
রাইস কুকার ব্যবহার

রাইস কুকার ব্যবহারের নিয়মগুলো জেনে রাখুন।

20Fours Desk | আপডেট : ১৭ মার্চ, ২০১৯ ১৭:২০
রাইস কুকার ব্যবহারের নিয়মগুলো জেনে রাখুন।

বর্তমান সময়ে আমাদের ব্যস্ততা অনেক। সেই সকাল থেকে রাত অবধি ছুটে চলা। তাই সময় নিয়ে রান্না করার সময়ে আমাদের হাতে একদম নেই। আর এজন্য এখন প্রায় সবাই ভাত বা তরকারি রান্নার জন্য বেছে নিয়েছেন রাইস কুকারকে। আসলে রাইস কুকার এখন দারূণ জনপ্রিয়। একদম স্বল্প সময়ে রান্নার জন্য এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না। এর নাম শুনেই মনে হতে পারে যে এতে শুধু ভাত রান্না করা যায়। কিন্তু মজার বিষয় হলো এতে শুধু ভাতই নয়, এতে তরকারিও রান্না করা যায়। আর তাই এখন রান্না জন্য সবাই একেই বেছে নিচ্ছেন। কারেন্ট দিয়ে চালিত এটি একদম স্বল্প সময়ে আমাদের বিভিন্ন রান্না করতে পারে। তবে আমরা সবাই রাইস কুকার ব্যবহার করলেও আমরা কিন্তু অনেকেই এর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে অনেক কিছুই জানি না। রাইস কুকার ব্যবহারের রয়েছে কিছু নিয়ম, যা না মেনে চললে এটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আবার যেহেতু এটি ইলেক্ট্রিসিটি দিয়ে চলে তাই অনেক সময় দূঘটনাও ঘটতে পারে। তাই আমাদের উচিত এর সঠিক নিয়ম মেনে ব্যবহার করা। তাহএ আসু আজ জেনে নিই কিভাবে আমাদের রাইস কুকার ব্যবহার করা উচিত।

রাইস কুকার ব্যবহারের নিয়মঃ

১। রাইস কুকারে ভাত কিংবা তরকারি দুটোই রান্না করা যায়। তবে এতে শুধু ভাত রান্না করাই সবচেয়ে ভালো। রান্না শেষ হয়ে গেলে আপনার রাইস কুকারটি ভালো ভাবে পরিষ্কার করে রাখতে হবে। বিশেষ করে এর ভেতরের অংশ এবং যেখানে ভাতের মাড় জমে থাকে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

২। রাইস কুকারে ভাত রান্না করার সময় এর উপরের অংশ দিয়ে ভাতের মাড় বের হয়ে থাকে। তাই রান্না শেষে এই মাড় পরিষ্কার করে ফেলা খুবই জরুরী। নাহলে এসব জমে যায় এবং কুকারের ঢাকনার ফুটো বন্ধ হয়ে যায়। তাই রান্না শেষ হলেই এসব মাড় পরিষ্কার করে ফেলতে বে।

৩। রাইস কুকার সবসময় রান্নাঘরের খোলামেলা আলো–বাতাস আছে এমন জায়গায় রাখতে হবে। রাইস কুকার হতে যে স্টিম বের হয় তা যদি সঠিক ভাবে ভেন্টিলেশন না হয় তাহলে আপনার রান্নাঘর গন্ধ হতে পারে। তাই রাইস কুকার খোলামেলা জায়গা বা জানালার পাশে রাখা উচিত।

৪। রাইস কুকার যেহেতু বৈদ্যূতিক তাই এটি ব্যবহারে অনেক বেশি সাবধান থাকতে হবে। রান্না শেষ হলেই এর সুইচ অফ করে রাখতে হবে। কোনোভাবেই রাইস কুকারের ভেতরে যেন পানি প্রবেশ না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নাহলে শর্ট সার্কিট হয়ে বিপদ হতে পারে। রান্না করার মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে সুইচ বন্ধ করে রাখুন। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর রান্না অসম্পূর্ণ থাকা অবস্থায় ঢাকনা খুলবেন না।

৫। বর্তমানে বাজারে এমন কিছু রাইস কুকার আছে যেগুলোর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করা যায়। আর এক্ষেত্রে অনেকেই দ্রুত রান্না হওয়ার জন্য এর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেন। এটি করা যাবে না। রাইস কুকারে সবসময় স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রান্না করা উচিত। রান্না করার সময় তাড়াতাড়ি রান্না সম্পন্ন হওয়ার জন্য বেশি তাপমাত্রা ব্যবহার করা ঠিক নয়।

উপরে