ঢাকা, রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯
শান্তিময় ঘুম

যদি চান শান্তিময় ঘুম, যা করবেন এবং যা করবেন না।

20Fours Desk | আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১০:১৬
যদি চান শান্তিময় ঘুম, যা করবেন এবং যা করবেন না।

দিনের পর আসে সন্ধ্যা, তারপর রাত। সারাদিন বাহিরে নানা ধরনের কাজ করার পর আমরা সন্ধায় বা রাতে বাসায় ফিরি। ক্লান্তময় একটি দিন কাটানোর পর রাত হলো আমাদের বিশ্রামের সময়। কারণ সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর আমাদের শরীরের চার্জ যখন একদম কমে আসে, তখন রাতের ঘুমের মাধ্যেমে আমাদের রাতের ঘুম আমাদের শরীরে পুরো চার্জ করে দেয়। তাই রাতের ঘুম আমাদের জনব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে, কিছু কিছু কারণে আমাদের রাতের ঘুম ঠিক মত হয় না। আসলে রাতে একটি সুন্দর ঘুমের জন্য আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। আমরা যদি এসব নিয়ম মেনে চলি তাহলে রাতে আমাদের ঘুমের কোনো সমমস্যাই হবে না। কিন্তু কি সেই নিয়ম? আসুন তবে জেনে নিই রাতে ভাল্কো ঘুমের জন্য আমাদের কি কি নিউম মেনে চলা উচিত এবং কি কি করা একদমই উচিত না।

ভালো ঘুমের যেসব থেকে বিরত থাকবেনঃ

১। অনেকেরই ঘুমানোর আগে ফেসবুক বা নেটে ঢুঁ দেয়ার অভ্যাস আছে। তবে এটি একদমই করা যাবে না। রাতে  ঘুমানোর সময় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস অর্থাৎ মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এগুলো দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। কারণ এই ডিভাইসগুলো কিছুক্ষণ পর পর রেডিয়েশন পাঠায় আর তা শরীরের জন্য অনেক খারাপ। তাই ঘুমানোর আগে ভালো ঘুমের জন্য এই ডিভাইসগুলো সরিয়ে রাখুন।

২। আমরা অনেকেই রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ার অভ্যাস আছে। এটি অনেক ভালো, কিন্তু এটি মোটেও ঘুমের জন্য সহায়ক না। তাই ঘুমানোর আগে বসে বই পড়ে তারপর ঘুমাতে যাবেন। বিছানায় শুয়ে পড়ার অভ্যাস আমাদের ব্রেনের জন্য ভালো হলেও ঘুমের জন্য ক্ষতিকর।

৩।  প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলুন। এজন্য ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত। বিশেষ করে রাতে ভালো ঘুমের জন্য রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খাওয়া উচিত। তা না হলে ঘুমানোর সময় অস্বস্তি হতে পারে। ঠিকমতো ঘুম নাও হতে পারে। তাই রাতের খাবার খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা পরে ঘুমান।

৪। ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে কফি, চা, চকলেট অর্থাৎ ক্যাফেইন জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। ধূমপান একফদমই করা যাবে না। অ্যালকোহল কিংবা সব ধরনের মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। ঘুমানোর আগে কিছু না খাওয়াই ভালো, তবে দুধ পান করা যেতে পারে।

৫। সবার একটা বেড টাইম রুটিন থাকা দরকার। যেমন টয়লেটে যাওয়া, দাঁত ব্রাশ করা, ঘুমানোর জন্য বিছানা তৈরি তারপর ঘুমাতে যাবেন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করুন। চিকিৎসকেরা বলেন, রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমাতে গেলে পরিপূর্ণভাবে ঘুমানো যায়।

ভালো ঘুমের যা করবেনঃ

১। ঘুমের আগে হালকা কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে পারেন এতে শরীরের তাপমাত্রা কমে আসবে। আর এর ফলে দ্রুত এবং ভালো ঘুম আসবে।

২।  আমরা যখন ঘুমাতে যাই তখন আমদের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই ঘুমানোর সমুয় ঘরের তাপমাত্রা একটু ঠান্ডা রাখা উচিত। শোয়ার ঘরটি শান্ত ও নীরব থাকা উচিত।

৩।  ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর বেশ কিছুক্ষণ আগে হালকা ব্যায়াম অথবা মেডিটেশন করতে পারেন। এটি ঘুমের জন্য ভালো।

উপরে